ত্রিপুরা

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগরতলায় লাইটহাউস প্রজেক্টের উদ্বোধন করেন নরেন্দ্র মোদী।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক,ত্রিপুরা : ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় লাইটহাউস প্রজেক্টের উদ্বোধন করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি। এই মহতী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ত্রিপুরা রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব,পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ শ্রীমতি প্রতিমা ভৌমিক,রাজ্যপাল রমেশ বৈশ সহ অন্যান্য অথিতিগন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন যে,মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজিকে ধন্যবাদ জানান। ত্রিপুরায় গড়ে উঠতে চলা লাইট হাউস প্রকল্প এক অনন্য নজির। এর আগে এমন স্বপ্ন কেউ দেখেননি। গরিব মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এর সুবিধা ।ত্রিপুরার জন্য আজ এক গর্বের দিন। তিনটি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে ত্রিপুরা রাজ্যকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির সুশাসনের দৃষ্টান্ত এই পুরস্কার। তাঁর ব্যক্তিত্বের অনুপ্রেরণাতেই ত্রিপুরার অগ্রগতির কাজ চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি কর্তৃক শিলান্যাস হওয়া লাইট হাউস প্রকল্প রাজ্যের অন্তিম ব্যক্তির কাছে আবাসনের সুবিধা পৌঁছে দেবে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি দ্বারা ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (শহর) এর অন্তর্গত আগরতলায় ১৬২ কোটি টাকা খরচে নির্মিয়মান লাইট হাউজ প্রজেক্টের শিলান্যাস হয়েছে।আজ ত্রিপুরার জন্য এক মহতী দিন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লাইট হাউস প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। সবার জন্য আবাস-এই লক্ষ্যেই লাইট হাউস প্রকল্প গড়ে উঠছে। ভূমিকম্প নিরোধক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত হবে এই লাইট হাউস। নিউজিল্যান্ডের স্টিল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে আগরতলায় গড়ে উঠতে চলা আবাসনে। এই আবাসন, গরিব ও মধ্যবিত্ত জনগণের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করতে চলেছে। এই আবাসন হয়ে উঠবে গরিব মানুষের আত্মমর্যাদার দিকচিহ্ন।এদিন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাজ যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নের জন্য উত্তর-পূর্ব ও পাহাড়ি রাজ্যগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ রাজ্যের শিরোপা পেয়েছে ত্রিপুরা।একই ভাবে আগরতলা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং বিলোনিয়া মিউনিসিপ্যাল কউন্সিলকে পুরস্কৃত করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি। আক্ষরিক অর্থেই নতুন বছরের শুরুর দিনটি ত্রিপুরার মানুষের কাছে ঐতিহাসিক হয়ে থাকবে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six + 13 =

Back to top button