ত্রিপুরা

প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক,ত্রিপুরা : 1989 সালে রাজনৈতিক হত্যকাণ্ডে দক্ষিন ত্রিপুরা জেলা ঋষ্যমুখ বিধানসভা কেন্দ্রের নলুয়ার মাটিতে শহীদ দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলী ও শহীদ স্মরন সমাবেশ করলো ত্রিপুরা বিজেপি দল। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলী কর্মসুচির আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব । প্রদীপ প্রজ্বলনের পর স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বরা উত্তরীয় ও মুকুট দিয়ে বরন করে নেয় মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে । এরপর মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব শহীদবেদীর স্থলে গিয়ে ফিতা কেটে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন। সাথে ছিলেন দুই বিধায়ক অরুণ চন্দ্র ভৌমিক ও শঙ্কর রায় , বিজেপি রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদিকা পাপিয়া দত্ত সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা ।এরপর শহীদ স্মরন সমাবেশ বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন যে, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিশায় আজকে ত্রিপুরায় সরকার চলছে। একদিকে যেমন মোদীজির নেতৃত্বে সমগ্র দেশে বিকাশের পথ প্রশস্ত হচ্ছে তেমন তাঁর বিচারধারার সরকার ত্রিপুরাকেও বিকাশের পথে পরিচালিত করছে। তিন তালাক প্রথা ছিল সংখ্যালঘু মা-বোনেদের কাছে অভিশাপ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তা থেকে তাঁদের মুক্তি দিয়েছেন। মহিলাদের অধিকার সুনিশ্চিত যদি কেউ করে তাহলে তা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার করেছে, ভারতীয় জনতা পার্টি করেছে। যখন জনধন অ্যাকাউন্টের সূচনা হল, তখন এখানে কমিউনিস্টরা অপপ্রচার করেছিল। তারা চায়নি দিল্লি থেকে সরাসরি সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্টে আসুক। কারণ তাতে কমিউনিস্টদের রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছিল। যখন কেন্দ্রীয় সরকার বলল, অ্যাকাউন্ট না থাকলে সরকারি প্রকল্পে টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে তখন পূর্বতন সরকার সেই কাজ করে। আগে করেনি। আজকে প্রত্যেক মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সুনিশ্চিত হয়েছে। কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের মাধ্যমে ত্রিপুরার হাজার হাজার কৃষকের অ্যাকাউন্টে বছরে ছ’হাজার টাকা করে পৌঁছে যাচ্ছে। আগের সরকার চায়নি কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হোক। কারণ কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হলে তাদের আন্দোলনের লাইন ছোট হয়ে যেত। বিজেপি সরকার আসার পরই রাজ্যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) লাগু হয়েছে। আজকে গোটা দক্ষিন ত্রিপুরা জেলায় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে। লজিস্টিক হাব, ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট, এসইজেড গড়ে উঠছে। এখানে দু’হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হবে। প্রায় দু’লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান গড়ে উঠবে।শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড তৈরি করে। কিন্তু ত্রিপুরায় দীর্ঘ সময় ধরে কমিউনিস্টদের শাসনে তারা কমিউনিস্ট মেরুদণ্ড তৈরি করতে চেয়েছিল। তাই শিক্ষা ব্যবস্থাকে পিছিয়ে রেখেছিল। আজকে সেই পরিস্থিতি নেই। নতুন ত্রিপুরা, সব দিক থেকে শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে বর্তমান শাসক দল বিজেপি।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × one =

Back to top button