ত্রিপুরা

বাড়িতে সামাজিক অনুষ্ঠান, তাই অভিযুক্ত চোরকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক,তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :- অভিযুক্ত চোরের বাড়িতে সামাজিক অনুষ্ঠান তাই চোরকে ধরতে সময় লাগবে আরো দু’একদিন এমনটাই অভিযোগ মুঙ্গিয়াকামি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করল এক দোকানের মালিক। ঘটনা খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া মহুকুমার মুঙ্গিয়াকামি থানা এলাকায়। ঘটনায় জানা যায় মুঙ্গিয়াকামি থানার অন্তর্গত মুঙ্গিয়াকামি বাজার এলাকার সঞ্জীত দেববর্মা দোকান থেকে একটি এলইডি টিভি একটি গ্যাসের সিলিন্ডার ও একটি মিউজিক সিস্টেম সহ দোকানের আরো অনেক জিনিস সহ প্রায় 50 হাজার টাকার মূল্যের জিনিস চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আর চুরির কাণ্ডের ঘটনার তিন দিন কেটে গেলেও পুলিশের কোনো ভূমিকা না থাকায় দোকান মালিক পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে নিজেই চুরের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে। একটা সময় সোমবার বিকেল নাগাদ সাফল্য পায় দোকান মালিক চোরকে ধরার ক্ষেত্রে। থানায় নামধাম জানিয়ে অভিযোগ করলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত চোরকে ধরতে সক্ষম হয়নি কোনো এক অজ্ঞাত কারণে। আরো জানা যায় মুঙ্গিয়াকামি থানা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে প্রতিদিনই কোন না কোন বাড়িতে হানা দিয়ে চোরের দল হাতসাফাই করে নিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসন কুম্ভ নিদ্রায় এমনই অভিযোগ করলেন এলাকাবাসীরা। জানা যায় দোকান মালিক সঞ্জীত দেববর্মা খবর পায় যে একেই থানা এলাকার জুম বাড়ির সুশীল দেববর্মার ছেলে রথীশ দেববর্মা তার সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে ঐদিন চুরি কান্ড ঘটায়। এই চোরের বাড়ি থেকে মিউজিক সিস্টেম টি উদ্ধার হয়। আর বাকি দ্রব্য গুলির কোন হদিস পাওয়া যায়নি। সঞ্জীত দেববর্মা মুঙ্গিয়াকামি থানায় মামলা করলে পুলিশ বাহিনী অভিযুক্ত চুরের বাড়িতে হানা দেয়। তখন চলছিল ওই বাড়িতে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। ওই বাড়ি থেকে মিউজিক সিস্টেম টি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এলোও সামাজিক অনুষ্ঠানের দোহাই দিয়ে কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ওই বাড়ি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ এমনটাই জানালো সঞ্জীত দেববর্মা। উল্লেখ্য মুরাকামি থানা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন ধরনের নেশা সামগ্রী সেবন ও জোয়ার রমরমা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। যার কবলে পড়ে যুব সমাজ আজ ধবংসের পথে। আর অন্যদিকে মুঙ্গিয়াকামী থানা বাবুরা সব জেনেশুনেও আজ নীরব দর্শকের ভূমিকায়। যা বিগত দিনগুলিতে ও দেখা গিয়েছিল যার ফলশ্রুতিতে থানায় অনেক রদবদলও হয়েছিল। তা আজও বিদ্যমান। এদিকে চুরি কাণ্ড নিয়ে অর্থাৎ পুলিশের নাকের ডগায় যেখানে এই দোকানের ঠিক পাশের সিআরপিএফ বাহিনীর একটি ক্যাম্প রয়েছে সেখানে কি করে চোরের দল হাত সাফাই করলো দেখা দিচ্ছে অনেক প্রশ্ন। এই ভাবেই মুঙ্গিয়াকামি থানার ভূমিকা চলতে থাকলে একদিন মুঙ্গিয়াকামী এলাকাবাসীর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাবে। হয়তোবা গড়ে তোলা হবে থানার বিরুদ্ধে বিশাল আন্দোলন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 − two =

Back to top button