বাণিজ্য

এবছর পাটের ফলন কম হলেও লাভের মুখ দেখছেন পাট চাষীরা।


নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক:-  জোর কদমে শুরু হয়ে গেছে পাট কেনাবেচা। এবছর পাট চাষ করতে গিয়ে ক্ষতি হলেও, পাট বিক্রি করে শান্তি পাচ্ছেন পাট চাষীরা। পুজোর মুখে পাইকারি দরে পাট ভালো দামেই বিক্রি হচ্ছে। গ্রামে ফড়েরা পাট  কিনে বিক্রি করছেন সেলারদের কাছে। অন্যদিকে যারা পাট কিনছেন তারাও লভ্যাংশ রেখে পাট বিক্রি করতে পারছে বড়  মিল-কারখানায়। তবে চাষীরা বলছেন পাটের দাম বৃদ্ধি হলেও পাটের ফলন এবছর কম হয়েছে।তবে উৎকৃষ্টমানের ভালো পাট চাষিরা বিক্রি করতে পারছেন পাট ব্যবসায়ীদের কাছে। কালনা কাটোয়া মহকুমা জুড়ে পাট চাষ করে থাকেন চাষীরা। কালনা কাটোয়া মহকুমার পাট  ব্যবসায়ীরা বলছেন টিডি- ৪ ও টিডি – ৫ পাটের দাম ৫ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা প্রতি কুইন্টাল। গতবছরের এইসময়ে এই তিন প্রজাতির পাটের দাম তিন থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে ছিল। তাই এবছর পাট চাষিরা পাটের দাম পাচ্ছেন এবং প্রতিবছর যে পাটের ক্ষতি হয় এবছর কিন্তু ক্ষতির মুখে পড়তে হয়নি লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন, তবে পাটের ফলন এবছর কম হয়েছে।চাষিরা বলেছেন এবছর অধিক বৃষ্টির কারণে পাটের ফলন কম, এবং আমফান ঝড়ের  কারণে পাটের ফলন কম হয়েছে । দাম বৃদ্ধির কারণ এটা ও যে পাটের ফলন কম হবার কারণে পাটের চাহিদা যথেষ্ট তাই দাম বৃদ্ধি হলেও পাট বিক্রি করতে পারছেন বেশি দামে। শনিবার নবদ্বীপের বড় পাট ব্যবসায়ী তুলসী সাহা জানিয়েছেন যে এবছর পাট বিক্রি করে চাষিরা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন তবে পাটের ফলন টা কম হয়েছে। আমফান ও অধিক বৃষ্টির কারণে পাঠ বৃদ্ধি পায়নি তাই পাটের ফলন কম থাকার কারণে দামের চাহিদা রয়েছে তাই চাষিরা কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছে।কোভিড- ১৯ পরিস্থিতিতে দূর্গা উৎসব অনেকটা ঢিলেঢালা হলেও পাট চাষিরা পুজোর কেনাকাটা করতে পারবেন । পাট বিক্রি করে লভ্যাংশ পাচ্ছেন হাসি ফুটেছে পাট চাষীদের মুখে। প্রচুর পাট চাষীরা অর্থাৎ কাটোয়া অগ্রদ্বীপ পাটুলি দাঁইহাট লক্ষ্মীপুর আটঘড়িয়া পূর্বস্থলী ধাত্রীগ্রাম মন্তেশ্বর কালনা থেকে ফড়েরা চাষীদের কাছ থেকে পাট কিনে এনে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে পাট বিক্রি করছেন। আর পাট ব্যবসায়ীরাও কলকাতায় বড় বড় পাট কারখানায় পাট বিক্রি করে নিজেরাও খুশি হচ্ছেন এমনটাই জানা গিয়েছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button