রাজ্য

” তৃণমূলে আর ফিরব না, তবে অমিত শাহের ডাক পেলে নিশ্চই তাতে সাড়া দেব’ : মিহির গোস্বামী।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক : টিম পিকে ও দল তৃণমূলের উপর ক্ষোভ জানিয়েছিলেন আগেই। এবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন কোচবিহার( দক্ষিন) এর তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তবে শেষ মুহুর্তে যে ইঙ্গিত দিলেন তা তৃণমূলের অন্দরে কাঁপন ধরানোর পক্ষে যথেস্ট। শুভেন্দু অধিকারীর  রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময় সরাসরি অধিকারীদের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন মমতা ঘনিষ্ঠ এই বিধায়ক। সোমবার তিনি বলেন, “ আর তৃণমূলে ফিরব না , তবে দল ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও অধিকারী পরিবারের সঙ্গে সুমধুর সম্পর্ক থাকবে।”  বরাবরই রাজ্য রাজনীতিতে মমতা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোচবিহার( দক্ষিন) এর এই বিধায়ক। উত্তরবঙ্গের অন্যতম স্বচ্ছ মুখ বলে পরিচিত মিহির গোস্বামী। কোচবিহার  জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই  দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে তার। দল ও টিম পিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে প্রথমে দলের সমস্ত পদ ছেড়েছেন। এমনকী দলীয় কার্যালয় থেকে সরিয়ে দিয়েছেন  দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিও। আর তারপর আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলনের পর  স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পদের সঙ্গেই দলও ছাড়ছেন মিহির গোস্বামী? শুভেন্দু অধিকারীর পাশে দাড়িয়ে বাড়িয়েছেন জল্পনাও। তার বক্তব্য,” শুভেন্দু অনেক বড় মাপের নেতা। তাই ওকে যা মানায়, আমাকে তা মানায় না। তবে আমি আমার মতো করে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করব। ” তার সঙ্গে অধিকারী পরিবারের ঘনিষ্ঠতা বোঝাতে গিয়ে মিহির গোস্বামী বলেন, “রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও অধিকারী পরিবারের সঙ্গে থাকবে। ওদের সঙ্গে আমার ৪০ বছরের সম্পর্ক। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা আমার পিতৃসম।” আপনি কি  দলবদল করছেন? এই  প্রসঙ্গে  মিহিরবাবু বলেন, “এখনও পর্যন্ত  তেমন কোনও পরিকল্পনা নেই।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “এক রাজনৈতিক দলের কর্মী হয়ে অন্য দলের কারও সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করা অন্যায় নয়। এটা অত্যন্ত সাধারণ বিষয়।” যদিও দলবদলের পরিকল্পনা নেই বলে জানালেও এদিন মিহিরবাবু সাফ বলেন, অমিত শাহের তরফে ডাক পেলে নিশ্চয়ই তাতে সাড়া দেবেন তিনি, দেখা করবেন। আর এটাই দলত্যাগের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

8 + two =

Back to top button