রাজ্যলাইফ স্টাইল

শতাধিক কর্মীসহ তৃণমূল নেতার যোগদান বিজেপিতে।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫, নদীয়া :-শান্তিপুর বিধানসভার অন্তর্গত ছয়টি পঞ্চায়েতেরই দখলে রয়েছে তৃণমূলের। 15 সদস্য বিশিষ্ট বেলগড়িয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের বিজেপির টিকিটে জেতা 6 জন, তৃণমূলের টিকিটে জেতা মাত্র তিনজন, বাকিছয়জনই নির্দলের নৌকা চিহ্নে জিতে ছিলেন, যার মধ্যে বর্তমান প্রধানও। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল হওয়ার কারণেই হয়তো নির্দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল তৃণমূলের বোর্ড। বেশ কিছুদিন ধরেই, ওই পঞ্চায়েতের প্রধান এবং উপপ্রধানের মধ্যে অসংগতি লক্ষ্য করা যায়, কখনো কখনো বিরোধ প্রকাশ্যেও এসেছিলো। আম্ফান দুর্নীতি হোক বা গৃহ আবাসনের কাট মানি, নানা অভিযোগ জেলা সভাপতি মহুয়া মৈত্ররের দৃষ্টিগোচরে আনার কারণে, উপপ্রধান বিপ্লব কর ক্রমশ ব্রাত্য হয়ে পড়ছিল পঞ্চায়েত এবং দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে , এমনটাই জানান তিনি। এমনকি তার এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী অজয় দে প্রচারে এসে ডাকেনি তাকে, বরং তার এলাকায় তৃণমূলের যুব সভাপতি পরিবর্তন হয়েছে তাঁকে না জানিয়েই। এরকম নানা ক্ষোভের কথা জানিয়ে আজ শান্তিপুর ডাকঘর বাস স্ট্যান্ডে সাংসদ জগন্নাথ সরকারের নির্বাচনী প্রচারের একটি জনসভায় বিজেপিতে যোগদান করেন তিনি এবং তার এলাকার দুই শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা। তাসাব্যঞ্জন সহযোগে তার যোগদান কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয় যথেষ্ট। কারণ বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের পর এই প্রথম কোন জনপ্রতিনিধি বিজেপিতে যোগদান করলো, শুধু তাই নয় তিনি জোর গলায় বলেন, ইঞ্জিন আগে এসেছে, বগি আছে পেছনে। বিধানসভা নির্বাচনের আগেই, পঞ্চায়েতের জোড়াতালির তৃণমূল বোর্ড ভেঙে, বিজেপির হাতে তুলে দিতে চলেছি । যদিও এ বিষয়ে, নবগঠিত ব্লক এ তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস জানান, তৃণমূলের কারণেই ওর পরিচিতি, দল বাদে ওর কোনো দাম নেই”

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

13 − 6 =

Back to top button