কলকাতা

বাংলা জাতীয়তাবাদের অন্যতম জনক শরৎচন্দ্র বসুকে পথে নেমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করল ‘ঐক্য বাংলা’।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক, কলকাতা : বাংলা ও বাঙালির গর্ব বিখ্যাত রাজনীতিবিদ শরৎচন্দ্র বসুর প্রয়াণ দিবস। সেই উপলক্ষ্যেই তাঁকে স্মরণ করে কলকাতার রাজপথে নেমে তাঁকে স্মরণ করল ‘ঐক্য বাংলা’।
প্রশ্ন : কেন এই কর্মসূচি গ্ৰহণ করা হল? 
প্রশ্নের উত্তরে ‘ঐক্য বাংলা’র সাধারণ সম্পাদিকা শ্রীমতী সুলগ্না দাশগুপ্ত জানান, “বাংলা কিংবা বাঙালি জাতীয়তাবাদের কথা বলতে গেলে একদম প্রথম সারির যেকজন বাঙালির নাম আসবে, তাঁর মধ্যে শরৎচন্দ্র বসু হলেন অন্যতম। শরৎচন্দ্র বসু সম্পর্কে অধিকাংশ বাঙালি সেইভাবে সচেতন নন। বেশিরভাগ বাঙালি হয়তো তাঁকে চেনে তিনি সুভাষচন্দ্র বসুর মেজদা হিসেবে। কিন্তু তার বাইরেও তাঁর যে দীর্ঘ ও সুবৃহৎ পরিচয় রয়েছে , সেটা পুনরায় বাঙালিকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যেই আমাদের ঐক্যযোদ্ধারা পথে নেমেছিলেন।” 

প্রশ্ন : কি কি কর্মসূচি গ্রহণ করলেন ? 
‘ঐক্য বাংলা’র সভাপতি শ্রী অভিজিৎ গুহ নিয়োগী বলেন, ” কলকাতার রাজপথে নেমে আমরা শরৎচন্দ্র বসুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে স্মরণ করে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করেছিলাম। এই আলোচনাসভার মূল উদ্দেশ্যই ছিল যাতে বাঙালি আরো বেশি করে শরৎচন্দ্র বসু সম্পর্কে চর্চা করুক ও সচেতন হোক। এছাড়াও পথে চলতি , সাধারণ , স্থানীয় বাঙালির কাছে পৌঁছে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে জনসংযোগ স্থাপন করেছিলেন আমাদের ঐক্যযোদ্ধারা যাতে শরৎচন্দ্র বসুর প্রকৃত মতাদর্শ ও রাজনৈতিক বোধ সাধারণ বাঙালির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রশ্ন : কর্মসূচি থেকে কিরকম সাড়া পেল ‘ঐক্য বাংলা’ ? 
উত্তরে ‘ঐক্য বাংলা’র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ঐক্যযোদ্ধা সৌম্য চৌধুরী বলেন , ” সত্যি কথা বলতে, সাড়া যে খুব ইতিবাচক , সেটা দাবি করা যায় না। অনেকেই হয়তো জানেন যে শরৎ বসু ছিলেন নেতাজির নিজের মেজদা কিন্তু এর বাইরে তাঁর সম্পর্কে কোনো সম্যক ধারণা নেই। তবে আশার কথা এটাই যে প্রবীণ প্রজন্মের  একাধিক বাঙালি উনার সম্পর্ক বিশদেই জানেন।” 
এই প্রসঙ্গে’ঐক্য বাংলা’র আর একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ঐক্যযোদ্ধা শৈবাল বসু বললেন, ” নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যাকে নিজের অন্যতম গুরু বলে মনে করতেন, যিনি কোনো সমস্যায় পড়লে তার প্রিয় মেজদার কাছে শরণাপন্ন হতেন, সেই শরৎচন্দ্র বসু আজ এতটা বিস্মৃত হয়েছেন জানতে পারলে সুভাষচন্দ্র বসু খুবই দুঃখ পেতেন।
যেভাবে বাংলা জাতীয়তাবাদের অন্যতম জনক শরৎচন্দ্র বসুকে পথে নেমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করল ‘ঐক্য বাংলা’ তা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × five =

Back to top button