কলকাতা

“শেষের এইতো শুরু” কয়লা কাণ্ডে তল্লাশি নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বাবুলের।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক : ফের রাজ্যের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। শুক্রবার আসানসোলের “কুখ্যাত” কয়লা মাফিয়া অনুপ মাঝি ওরফে লালার বাড়ি ও একাধিক অফিসে তল্লাশী চালায় ইডি ও আয়কর দফতর। নবান্নের অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়েই সিআরপিএফকে সঙ্গে নিয়ে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে। সূত্রের খবর, এই তল্লাশি নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ রাজ্য। এর বিরুদ্ধে দরকারে আইনের পথে যাওয়ার ভাবনা চিন্তা করছে বলেও খবর। এমনকি ঘনিষ্ট মহলে এই কয়লা মাফিয়াকে “বিশিষ্ট ব্যবসায়ী” বলেও জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই গোটা বিষয় নিয়ে রাজ্যেকে  তীব্র কটাক্ষ করেছেন আসানসোলের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল-সুপ্রিয়। তার বক্তব্য,”ভাবুন একবার – একজন কুখ্যাত কয়লা মাফিয়ার ওপর তল্লাশি হচ্ছে আর ‘মাননীয়’ মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখযোগ্যভাবে  ‘লালাবাবুকে’ ব্যবসায়ী বলছেন তাই নয়, মানুষের টাকা খরচা করে আইনী পরামর্শ করবেন বলছেন।” সূত্রের  খবর এই তল্লাশিতে রাজ্যের একজন অত্যন্ত ” প্রভাবশালী”র আত্মীয়র ব্যাঙ্ক একাউন্টে মাসে নগদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা জমা পড়ত বলে খবর। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে নাম না করে  সেই “প্রভাবশালী”কে টার্গেট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তার মতে, “আমি দু’বছর আগে নাম করে বলে দিয়েছিলাম বেআইনী কয়লা কারবারের কোটি কোটি টাকা কার কাছে মাসে মাসে গাড়ি ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয় – তৃণমূলের ‘নেতার-নেতা’ শান্তিনিকেতনে। মামলা হয়েছিল আমার মুখ বন্ধ করতে – হাইকোর্ট অবধি লড়াই করে ‘বেআইনি কয়লা নিয়ে মানুষের মত জোর গলায় সাহসের সঙ্গে স্পস্ট করে বলার’ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছিলাম।” এর আগে একাধিকবার কয়লা পাচার নিয়ে মুখ খোলায় শাসক দলের আক্রমণের মুখে পড়তে হয় এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। মামলাও করা হয়। তবে এই “লালা”র অফিস ও বাড়িতে তল্লাশির ঘটনায় যথেষ্ট আশাবাদী বাবুল-সুপ্রিয়। শনিবার এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যারা আমাকে বদনাম করার করার চেষ্টা করেছিল তাদের মুখটা আজ দেখতে খুব ইচ্ছে করছে।” ইডি সূত্রে খবর ইতিমধ্যে এই কয়লা কাণ্ডে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম উঠে এসেছে। এমনকী প্রযোজনে তাদেরও জেরা করা হতে পারে বলে খবর। তা মনে করিয়ে দিয়ে বাবুল সুপ্রিয় বলেন,” আর কার কার ঘুম উড়েছে তারও খবর আছে। কিন্তু আসনসলের মানুষ তাদের সবাইকে চেনেন জানেন – দিদির ‘অনুপ্রেরণায়’, মানুষকে ভয় দেখিয়ে, তারা এতবছর আসানসোলকে কালিমালিপ্ত করে নিজেদের পকেট ভরেছে – ভোটে দেদার বেআইনি কয়লার টাকা উড়িয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করেছে। তাঁদের শেষের এইতো শুরু।”

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four × four =

Back to top button