কলকাতা

শোভন ও বৈশাখি দু’জনেই রাজনীতি সচেতন মানুষ ৷ ওঁরা কখন কী করতে হবে জেনেই রাজনীতিতে এসেছেন : দিলীপ ঘোষ।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক : শোভন প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ইতিমধ্যে কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিককে নিয়ে রীতিমতো দ্বন্দ্বে গেরুয়া শিবির। দিল্লীতে গিয়ে পদ্ম শিবিরে নাম লেখালেও, বিজেপির কোন কর্মসূচিতেও তেমন একটা দেখা যায়নি শোভন-বৈশাখী জুটিকে। এমনকী দলেও এখন আর খুব একটা সক্রিয় নন তারা। দলে যোগ দেওয়ার পর মুরলী ধরসেন লেনের রাজ্য দফতরেও হাতে গোনা মাত্র কয়েকদিন পা দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে নিয়ে সংশয় তৈরী হয়েছে। ষষ্ঠীর দিন   ইজেকসিসিতে ভারচুয়ালী পুজো উদ্বোধন করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেও গরহাজির এই জুটি। তখন থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, তবে কী দল ছাড়ছেন শোভন-বৈশাখী?  অপরদিকে পুজোয় প্রতিবছরের মতো এই বছরও শোভনকে পাঞ্জাবী উপহার পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে শাড়ি পাঠান বৈশাখীর জন্য। পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নিজে পছন্দ করে  মুখ্যমন্ত্রীকে  শাড়ি পাঠান বৈশাখী। এরপরই একাধিক সংবাদ মাধ্যমে ঢালাও প্রচার  শুরু হয়, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পুরনো  দলে ফেরা শুধু সময়ের অপেক্ষা। শুক্রবার ইকোপার্কে এসে এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “শোভন ও বৈশাখি দু’জনেই রাজনীতি সচেতন মানুষ ৷ ওঁরা কখন কী করতে হবে জেনেই রাজনীতিতে এসেছেন ৷ ওঁরা যখন রাজি হবেন, যে কাজ করতে চাইবেন, সেই কাজ দেওয়া হবে ৷ ” পাশাপাশি উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীকে শোভন ও বৈশাখির শাড়ি পাঠানোর প্রসঙ্গটিও। এই ইস্যুতে  তিনি বলেন, ” ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেকের সঙ্গেই থাকে ৷ আমিও অসুস্থ ছিলাম ৷ মুখ্যমন্ত্রী আমায় ফোন করেছিলেন ৷ সৌজন্যবোধ, সামাজিক সম্পর্ক থাকতেই পারে। এতে মনে হয় না চিন্তার কিছু কারণ আছে ৷ “

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button