কলকাতা

ইউএপিএ আইনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংকে পাশে পেল তৃণমূল।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক : ছত্রধরের পর এবার বিমল গুরুং। এবার রাজ্যের শাসক দলের পাশে বিমল গুরুং। এর আগে ইউএপিএতে অভিযুক্ত জন সাধারনের কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতোকে তৃণমূলের হাত ধরতে দেখা গিয়েছে। এমনকী তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে ঠাই হয়েছে তার। এবার ইউএপিএ আইনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংকেও তৃণমূলে পাশে পেল। ২০১৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দার্জিলিং-এর ভানু ভক্ত ভবনে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে মোর্চা সমর্থকেরা। ইউএপিএ আইনে অভিযুক্ত হন বিমল গুরুং-রোশন গিরিরা। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাস থেকে “ফেরার” এই বিমল গুরুংই এক সময়ে কার্যত উঠতে বসতে মমতা বন্দোপাধ্যায়কে তুলোধনা করেছেন সেই বিমল গুরুংই এখন মমতার পাশে। বুধবার কলকাতায় এসে তিনি বলেন,” জেলে যাব, কিন্তু মমতাকেই ফের মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই। ” যা এক কথায় একুশের ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে জোটের বার্তা বলে মত রাজনৈতিক মহলের। একইসঙ্গে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরের বিরুদ্ধে। জানিয়ে দিলেন এনডিএ-র সঙ্গে আর নেই তার নেতৃত্বাধীন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। বিজেপি এবং মোদী-শাহ গোর্খাল্যান্ড নিয়ে প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি রাখতে জানেন। তাই বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মমতার পাশে থেকেই লড়তে চান। বুধবার কলকাতার একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলনে গুরুং বলেন, “গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে এতদিন বিজেপির সঙ্গে ছিলাম। আমাদের গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে লড়াই চালিয়ে যাব। ২০২৪ সালে আমাদের ইস্যুর পাশে যে দল থাকবে আমরা তাদেরই সমর্থন করব। ৬ বছর কেটে গেলেও প্রতিশ্রুতি রাখেনি বিজেপি বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ। কথা দিয়েও কথা রাখেননি কেউই। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলি পূরণ করেছিলেন। আজ তাই আমি বলছি, এনডিএ-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আর একুশের ভোটে আমরা তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে লড়ব। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে চাই। তাই আমি ওনাকে আবেদন করব, পাহাড়-ডুয়ার্সের উন্নয়নের জন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর মুখাপেক্ষী। ওনার উপর ভরসা আছে।” তিনি এদিন বলেছেন, “এখনও তৃণমূল বা মমতার সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। তবে এবার কথা বলব। তারপর সাংবাদিকদের সব জানাব। রাজনীতিতে কেউ চিরশত্রু না বা চিরবন্ধু নয়। বিজেপি কথা দিয়ে রাখেনি। ওঁদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখতে চাই না। এবার একুশের ভোটে বিজেপিকে কড়া জবাব দেব। কিন্তু আমি কোনও অপরাধী নই। তিন বছর ধরে দিল্লিতেই ছিলাম। এই তিন বছরে আমার জীবন দর্শন পাল্টে গিয়েছে।”SHOW LESS

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × two =

Back to top button