কলকাতা

“পাগড়ি” বিতর্কে শিখ সমাজকে পাশে পেলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক : যুব মোর্চার নবান্ন অভিযানের দিন বলবিন্দর সিং এর “পাগড়ি” খুলে নেওয়া নিয়ে বিতর্কের শুরু। ওই দিন এই শিখ যুবককে “বেআইনি” অস্ত্র সহ গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপির বক্তব্য ছিল, এই বলবিন্দর সিং ভাটপাড়ার যুব মোর্চা নেতা প্রিয়াংশু পাণ্ডের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী, এবং তার কাছে বৈধ লাইসেন্স সহ রিভালভর ছিল। তাদের  অভিযোগ,  মাথার পাগড়ি খুলে ওই যুবককে মারধর করেছে পুলিশ। যা নিয়ে রীতিমত বিতর্ক তৈরি হয়। ক্রিকেটার হরভজন সিং থেকে শুরু করে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবী করেন।  তবে এই বিতর্কে শিখ সমাজকে পাশে পেলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। রাজনৈতিক গিরগিটি বলে অকালি দলের নেতা মঞ্জিন্দর সিং সিরসাকে খোলা চিঠি লিখে বেনজির ভাষায় আক্রমণ করল কলকাতার গুরুদ্বরা  বড়া শিখ সঙ্গত ম্যানেজমেন্ট কমিটির  সভাপতি। তাদের বক্তব্য সিরসার আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং রাজনৈতিক গিরগিটির পরিচয় বহন করে। বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন এক শিখ ব্যক্তির পাগড়ি খুলে যাওয়ার বিষয় নিযে প্রতিবাদ জানাতে কলকাতায় এসেছেন অকালি নেতা মঞ্জিন্দর সিং সিরসা। সেই প্রেক্ষিতেই এই চিঠি।কমিটির বক্তব্য, আমরা চাই (নিগ্রহের ঘটনায়) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তের নির্দেশ দিন। এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার ক্ষমাও চেয়েছে এবং বিশদ বিবরণ দিয়ে জানিয়েছে সেদিন কি হয়েছে! পাশাপাশি, কমিটির হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার জন্য অকালি দল যেন কুমিরের কান্না না কাঁদে। কলকাতার শিখরা নিজেদের সন্মান রক্ষা করতে পারে।  তাদের কোনও সাহায্য লাগবে না। চিঠিতে কমিটি আরও বলেছে, যখন ওনার বস “বাদল” অকল তখত জাঠেদর এর জামা ছিঁড়ে দিয়েছিল ও পাগড়ি ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল, তখন উনি কোথায় ছিলেন? যখন তোমাদের বাবা মোদি সর্দার ও কৃষকদের কষ্ট দিচ্ছে, তখন কোথায় তোমাদের প্রতিবাদ? চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলা ও পাঞ্জাবের সুসম্পর্ক বহু পুরনো এবং যদি কিছু ঘটে যায় তাহলে সম্পূর্ণ দায়ী হবে মঞ্জিন্দার সিং সিরসা ও তার দল।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button