কলকাতা

আইনি নোটিশ পাঠানো অভিষেকের অধিকার কিন্তু মানুষের হাসির খোরাক হবেন কি হবেন না সেটা তো ‘চয়েসের’ ব্যাপার’ :বাবুল সুপ্রিয়

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক: নাম না করে  অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে “বাড়ন্ত বাচ্চা” বলে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মহালয়ার দিন ডায়মন্ডহারবারে সাংসদের একটি ফেসবুক পোস্টকে নিয়ে সরগরম হয়ে উঠে সোশ্যাল মিডিয়া। “অমানবিক” বলে একটি শব্দের ব্যবহার নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়। পাল্টা বন্তব্য বিকৃত করে অপমান করার অভিযোগে  বাবুল সুপ্রিয়কে  আইনি নোটিস পাঠান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার  কিছুক্ষণের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন বাবুল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি  লিখেছেন , ” একজন বাংলার বাড়ন্ত বাচ্চা আমাকে প্রেমপত্র পাঠিয়েছে। যা আইনজীবীদের লেখা। আমি নিশ্চিত এটা শিশুসুলভ ঔদ্ধত্য ছাড়া আর কিছুই না। কারণ আর যাই হোক এটা ভালবাসা হতে পারে না।” তিনি আরও লেখেন, “কারও নাম করিনি কিন্তু ঠাকুরঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি। প্রতিক্রিয়া কিন্তু আসবেই।” যদিও এই পোস্টে তিনি কারও নাম উল্লেখ না করলেও, রাজনৈতিক মহলের মতে,  এই পোস্টের মাধ্যমে তাঁকে পাঠানো অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের  আইনি নোটিসের প্রসঙ্গ তুলে খোঁচা দিয়েছেন। তারপর তিনি আর একটি টুইট বার্তায় লেখেন, ‘মানলাম আমাকে আইনি নোটিশ পাঠানো অভিষেকের অধিকার কিন্তু মানুষের হাসির খোরাক হবেন কি হবেন না সেটা তো ‘চয়েসের’ ব্যাপার’। তিনি অভিষেক ব্যানার্জীকে খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘আপনি ফুলটস দেবেন আর আমি ছক্কা মারবো না –  এতো কাঁচা খিলাড়ি যে আমি নই সেটা তো ঘোর তৃণমূলীও মানবে আর আপনি তথাকথিত ‘যুবরাজ’। এই বক্তব্যের শেষে তিনি হ্যাসট্যাগ দিয়ে লিখেছেন #সেভ বেঙ্গল। 

উল্লেখ্য, মহালয়ার  দিন অভিষেক   সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বক্তব্য রাখেন। সেখানে  তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অমানবিক এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে, বাংলার নিজস্ব মস্তিষ্কপ্রসূত কর্মকাণ্ডে রাজ্যের উন্নয়নে গতি এসেছে।” আর এই  ‘অমানবিক’ শব্দটি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। যার পাল্টা হিসাবে   টুইট করেন বাবুল লেখেন, “মুখ ফসকে সত্যি কথাটা বেরিয়ে গিয়েছে। অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী। আমি একটুও আশ্চর্য হইনি যে এটা পোস্ট করা ভিডিওতে রয়ে গিয়েছে। কারণ যাঁরা এটা শুট করেছে তারাও ‘অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী’ দিদির অমানবিক তৃণমূলী দুষ্কর্মে এতটাই লিপ্ত যে ভুল করে ‘বেরিয়ে’ যাওয়া এই সত্যটা ওরা ধরতেই পারেনি।” এর পরই বাবুলকে সোজা আইনি নোটিস পাঠান । অভিষেকের দাবি,  বাবুল সুপ্রিয় তাঁকে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করার জন্য এহেন ‘মিথ্যে’ টুইট করেছেন। যার ফলে অপমানিত বোধ করছেন তিনি। অবিলম্বে ওই টুইটটি ডিলিট এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button