কলকাতা

স্বমহিমায় ‘চাণক্য’ মুকুল রায়।


নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫, নিউজডেস্ক: রাজনৈতিক বুদ্ধিতে বাজিমাত করলেন মুকুল রায়। শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পুলিশের বাধাকে উপেক্ষা করেই শহিদ তর্পণ করলেন মুকুল রায় আর কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জুটি। মহালয়ার একদিন আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার বিজেপি শহিদ তর্পণ করতে চেয়ে কলকাতা পুলি্শকে আগেই ই-মেল বার্তা পাঠিয়ে অনুমতি চেয়েছিলো। কিন্তু কলকাতা পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। এরপর বিজেপি জানিয়ে দেয়, পূর্বপুরুষের প্রতি তর্পণ শ্রদ্ধা জানানোর অধিকার প্রত্যেকের রয়েছে। তৃণমূলের প্রশাসন সেখানে বাধা দিতে পারে না। আমরা এই শহিদ-তর্পণ পালন করবই। তৃণমূলের হিংসায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সামিল হবেন এই কর্মসূচিতে। কিন্তু এদিন সকাল থেকে কলকাতা পুলিশ বাগবাজার ঘাটে যাওয়ার পথে ব্যারিকেড করে দেয়। বাগবাজারে বিজেপির মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়। ব্যারিকেডে আটকে পড়েন মুকুল রায়, কৈলাশ বিজয়বর্গীয় সমেত বিজেপির মিছিল। পুলিশ বাধার মুখে পড়ে মুকুল-কৈলাশরা তাঁদের কৌশল বদল করে। এরপর মুকুল-কৈলাশরা পথ পরিবর্তন করে চলে যান গোলাবাড়ি ঘাটে। গোলাবাড়ি ঘাটে মুকুল রায় আর কৈলাশ বিজয়বর্গীয় পৌঁছে যাওয়ার পর, কৌশল করে রাস্তার মুখে কার্যত আটকে রাখে বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মীরা, যাতে পুলিশ ঢুকতে গেলে কিছুটা সময় নষ্ট করা যায়। কার্যত এই কৌশলেই বাজিমাত করে বিজেপি। সেখানে সমস্ত শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘাটে বসে শহিদ-তর্পণ করেন মুকুল রায়-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রা। মুকুল রায় এদিন কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তৃণমূলকে। মুকুল বলেন, ‘কেও মারা গেলে তাঁর শেষ কাজ করতে মানুষ গঙ্গায় আসেন, সেখানেও বাধা দিচ্ছে তৃণমূল সরকার।’  তিনি আরো বলেন, ‘আগের বছরও এই কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। এবার বিশৃঙ্খলা এড়াতে মহালয়ার একদিন আগে আমরা আইন মোতাবেক কর্মসূচি পালন করার পরিকল্পনা করি। প্রধানমন্ত্রী কোভিড পরিস্থিতিতে আইন না ভেঙে কর্মসূচি পালন করতে বলেছেন।’

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button