কলকাতা
Trending

বিধানসভাতেও বাদ প্রশ্নোত্তর পর্ব, তৃণমূলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ।

নিউজ বেঙ্গল ৩৬৫ ডেস্ক : ইতিমধ্যেই  সংসদে বাদ দেওয়া হয়েছে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। যা আদপে করোনার অজুহাতে  বিরোধীদের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে করছে রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। এবার সেই মোদীর দেখান পথেই হাটলেন মমতা বন্দপাধ্যায়।  রাজ্য বিধানসভা থেকেও বাদ গেল  প্রশ্নোত্তর পর্ব। চলতি মাসে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনে এবার বাদ  প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে; শুরু হবে এই অধিবেশন। প্রতিদিন চার ঘন্টার জন্য বসবে সভা। কিন্তু সেই অধিবেশনে,  থাকবে না কোনও প্রশ্ন- উত্তর পর্ব।  যা  নিয়ে, ইতিমধ্যে সরব কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিরোধীরা। এদিকে, সংসদের মতই, বাংলার বিধানসভা-তেও নেই  প্রশ্নোত্তর পর্ব। সাধারণত সংসদ অধিবেশন বসার আগে, একঘন্টা চলে প্রশ্ন উত্তর পর্ব। ১৫ দিন আগে বিরোধী সাংসদদের প্রশ্ন জমা দিতে হয়। সেই অনুযায়ী জবাব দেন সরকার পক্ষ ও তার মন্ত্রীরা। কিন্তু শুরু হতে যাওয়া চলতি বাদল অধিবেশনে; সেই অধিকার দেওয়া হলো না সাংসদদের। ১৯৫০ সালের পর এই প্রথম; প্রশ্ন উত্তর পর্ব থাকল না সংসদের অধিবেশনের সূচিতে। সময় কম থাকার জন্যই, প্রশ্নোত্তর পর্ব বাদ; জানিয়েছে কেন্দ্র। এই নিযে শুরু হয়েছে বিরোধীদের তুমুল প্রতিবাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল সাংসদরা বলছেন, “প্রশ্নোত্তর পর্ব না হওয়া, ভারতীয় গণতন্ত্রের ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত।” দলনেত্রীর নির্দেশে, এই ইস্যুতে রীতিমত শোরগোল ফেলে দিয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়েন সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা।  ডেরেক বলছেন, “যে মন্ত্রীরা কেন দাঁড়িয়ে উত্তর দেবে না; সাংসদদের প্রশ্নের আমাদের ভিক্ষা দিয়ে লাভ নেই। এটা সংসদ, গুজরাত জিমখানা নয়।” তবে সংসদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা হলেও একইভাবে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়ে দিয়েছেন অধিবেশন বসবে ২দিনের জন্য। স্বাভাবিকভাবে থাকবেনা প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। কারন কেন্দ্রের মতই, সময় কম বলে। এই নিয়েই এবার; রাজ্যে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বাম-কংগ্রেসের অভিযোগ; এটা আসলে দ্বিচারিতা। বাম পরিষদীয় দলনেতা  সুজন চক্রবর্তী বলেন যে; “কেন্দ্র ও রাজ্য এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোন প্রশ্ন তাঁরা শুনবেন না। আসলে দুজনেরই চরিত্রের কোন পার্থক্য নেই। দুজনেই বিরোধীদের ভয় পায়।” একই মত কংগ্রেসের মূখ্য সচেতক মনোজ চক্রবর্তীর। তিনি বলেন, ” আসলে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে দুজনেই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। যত বেশী বিরোধীদের এড়িয়ে যাওয়া যায়। দুজনেই দ্বিচারিতা করছে”।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button